শুক্রবার,২৭ নভেম্বর, ২০২০ অপরাহ্ন

কুয়াকাটায় জলাবদ্ধতায় বেড়েছে নাগরিক দূর্ভোগ

রিপোর্টারের নাম: গাজী কাইয়ুম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবার, ২০২০ ০৯ ৫৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালী-

কুয়াকাটা পৌরসভা এলাকায় জলাবদ্ধতায় বেড়েছে নাগরিক দূর্ভোগ। গত ক’দিনের বর্ষার পনি জমে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য দিঘী কিংবা জলাশয়। কুয়াকাটার রাখাইন মহিলা মার্কেটের মাঠটি এখন একটি দিঘীতে পরিনত হয়েছে। যে কেউ দেখলে এটিকে মাঠ না বলে দিঘী বলবে। কেননা মাঠটি এখন বৃষ্টির পানি জমে টইটুম্বুর। এছাড়া পৌরএলাকার জমে থাকা পঁচা পানিদে দূর্গন্ধ ছড়ানোসহ মশার প্রজনন কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে।

কুয়াকাটা রাখাইন মার্কেটের একাধিক ব্যাবসায়ী জানান, কুয়াকাটা রাখাইন মার্কেটের বড় এ মাঠটির তিন দিকে বিপণি বিতান, একদিকে মার্কেটের প্রবেশ সড়ক। আর এর পাশেই রয়েছে রাখাইন বৌদ্ধ বিহার। শুকনো মৌসুমে প্রতিদিন বিকেলে কিংবা সন্ধ্যার পর এ মাঠে পর্যটকদের আড্ডা বসেতো। 

এছাড়া রাখাইনদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চায়ন হতো এ মাঠে। কিন্তু বর্তমানে সামান্য বর্ষা হলেই মাঠে হাঁটু পরিমান পানি জমে যায়। সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার।

কুয়াকাটায় আগত পর্যটক নয়নিকা আহমেদ বলেন, প্রথম দেখে ধারনা করেছিলাম এটি দিঘী। কিন্তু স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারলাম এটি দিঘী কিংবা জলাশয় কোনটিই নয়। এটি রাখাইন মহিলা মার্কেটের মাঠ।

ব্যাবসায়ি রাখাইন উসো মং বলেন, বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ হচ্ছে। রাখাইন সম্প্রদায়ের জলকেলি উৎসবসহ বাঙালিদের অনেক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয় এ মাঠে। কিন্তু এ সমস্যা নিরসনে কারোরই কোনো উদ্যোগ নেই।

ব্যাবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, পর্যটকরা সন্ধ্যার পরে সময় কাটাতেন রাখাইন মার্কেটে। মার্কেট ঘুরে দেখা ও কেনাকাটা ছাড়াও মাঠে বসে আড্ডা জমাতেন। কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে এখন হোটেলে বসে সময় কাটাতে হয় পর্যটকদের।

অপর এক ব্যাবসায়ী সুমন জানান, পানি পঁচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে বাড়েছে মশার উৎপাত।

কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র আবদুল বারেক মোল্লা জানান, কুয়াকাটায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ শুরু হয়েছে। পৌর সভায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা হলে তখন জলাবদ্ধতা আর থাকবে না। আশা করি শীঘ্রই এ সমস্য সমাধান হবে।

আন্দোলন৭১/গোফরান/জিকে

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2018 Andolon71
Theme Developed BY Rokonuddin