মঙ্গলবার,১১ মে, ২০২১ অপরাহ্ন

দেহ আছে প্রাণ নেই

রিপোর্টারের নাম: আন্দোলন৭১
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১ ২১ ৩০
ছবি-আন্দোলন৭১ নিউজ

গোফরান পলাশ-

কুয়াকাটা খালে নির্মিত সেতুটি শুধুমাত্র সংযোগ সড়কের অভাবে জনসাধারণের কোন কাজে আসছেনা। সেতুটির দুই পাশের সংযোগ সড়কটি সম্পূর্ণ  খুঁড়ে  ফেলায় কুয়াকাটা পৌরসভা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে তিনটি ওয়ার্ড। এর ফলে সংযোগ সড়কের অভাবে ১, ২ ও ৪ নং ওয়ার্ডের প্রায় ১০ হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছে। বয়স্ক নারী ও শিশুরা প্রায় দুই কি.মি. ঘুরে চলাচল করছে।

এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে এলজিইডি’র তত্ত্বাবধানে ২ কোটি ৫৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩৬ মিটার দীর্ঘ গার্ডার ব্রীজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এক বছরের মধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও গত প্রায় তিন বছরেও চলাচলের উপযোগী করা যায়নি সেতুটি। মেসার্স আবুল কালাম আজাদ নামের প্রভাবশালী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে কাজটি বরাদ্দ রয়েছে। বাস্তবে কাজটি করছে দীপ্ত কনস্ট্রাকশন এর সত্ত্বাধীকারী মামুন নামক এক ঠিকাদার। প্রভাবশালী ওই দুই ঠিকাদারের স্বেচ্ছাচারীতায় নকশা অনুযায়ী কাজ হয়নি। সেতুটির উচ্চতা কম, গার্ডার কম এবং দৈর্ঘ্য কমিয়ে দেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।

কাজের অনিয়ম ও দীর্ঘ সূত্রিতার বিষয়ে এলজিইডি’র কলাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী মহর আলী বলেন, ঠিকাদার তার ইচ্ছামত কাজ করছে।

কুয়াকাটা পৌর আ’লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি গাজী মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবে সেতু নির্মাণ হলেও দুই দিকের সংযোগ সড়ক খুড়ে ফেলে রাখায় প্রায় দুই কি.মি. ঘুরে চলাচল করতে হয়। একই এলাকার ভূক্তভোগী হাসনুল ইকবাল জানিয়েছেন, কুয়াকাটা খালের ওপর পৌরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর কাজ নকশা অনুযায়ী করা হয়নি।

ঠিকাদার আবুল কালাম আজাদ বলেন, বালু না পাওয়ায় কাজটি সম্পন্ন করা যায়নি। তবে সেতুটির কাজ নকশা অনুযায়ী করা হয়েছে এমন দাবী করেছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2018 Andolon71
Theme Developed BY Rokonuddin