বুধবার,১৬ জুন, ২০২১ অপরাহ্ন

বন্ধুত্বের কারণে বাংলাদেশের পাশে চীন

রিপোর্টারের নাম: আন্দোলন৭১
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ০৯ জুন, ২০২১ ২২ ০৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- 

চীনে ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বন্ধুরাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।

বুধবার (৯ জুন) ‘বাংলাদেশ-চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ট্রেড রিলেশনস ইন দি আফটারমাথ অফ দি কোভিড-১৯ গ্লোবাল পেন্ডামিক’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) ও বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড  ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিসিআই) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

লি জিমিং বলেন, এ মুহূর্তে চীনের অভ্যন্তরে কারোনা টিকার বিপুল চাহিদা রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সরবরাহও খুব সীমিত। এর মধ্যেও বন্ধুত্বের কারণে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন। সিনোফার্মের ৫ লাখ টিকা উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে। সিনোভ্যাকের উপহারের আরও ৬ লাখ টিকা আসার অপেক্ষায় আছে।

‘আমরা এখন চীনের ভ্যাকসিনের প্রকিউরমেন্টের বিষয়টি নিয়ে অপেক্ষা করছি। বাংলাদেশ-চীন যৌথ টিকা উৎপাদনের আলোচনার অগ্রগতিও আশাব্যঞ্জক’- যোগ করেন চীনের রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন-বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বহুদিনের। ৪৫ বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের লেনদেনে সুষম গতি বজায় রয়েছে। অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে সহায়তা ক্রমাগত গভীর হচ্ছে। গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশকে ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে চীন। ফলে চীনের বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্যের জন্য এটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। গত বছর বাংলাদেশ থেকে চীনের পণ্য আমদানি ২৮ শতাংশ বেড়েছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে চীনের আমদানি আরও বাড়বে। দুই দেশের বাণিজ্যে ভারসাম্য তৈরি হবে।

তিনি বলেন, উভয় দেশের বাণিজ্য বাড়াতে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা ছাড়াও এফটিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে আরও বেশি কাজ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2018 Andolon71
Theme Developed BY Rokonuddin