বুধবার,২১ অক্টোবর, ২০২০ অপরাহ্ন

মহিপুর, কুয়াকাটায় কথিত সাংবাদিকদের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বার, ২০২০ ২১ ৩৩

পটুয়াখালী প্রতিনিধি- 

’মহিপুর, কুয়াকাটায় কথিত সাংবাদিকদের গন চাঁদাবাজ বকলম, উৎখাত করুন’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাংবাদিকদের নিয়ে এমন খেদোক্তি লিখে ষ্ট্যাটাস দিয়েছেন মহিপুর মৎস্যবন্দর ও থানা শহরের একজন সমাজ সেবক এস আলম হাওলাদার।

তিনি বেশ কিছুদিন যাবত এমন ষ্ট্যাটাস দিলেও মহিপুর কুয়াকাটায় কর্মরত কোন সাংবাদিক এর প্রতিবাদ না করে বরং নিরব ভূমিকায় অবতীর্ন থেকেছেন। তবে সম্প্রতি এ নিয়ে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদক তাদের ফেসবুক পেইজে ষ্ট্যাটাস দিয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মহিপুর কুয়াকাটায় রয়েছে সাংবাদিকদের একাধিক সংগঠন। এসব সংগঠনে যেমন পেশাদার, দক্ষ ও সৎ সাংবাদিক রয়েছে। তেমনি রয়েছে ভূঁইফোড় অনলাইন নিউজপোর্টালসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রকাশিত আঞ্চলিক দৈনিকের সাংবাদিক। এদেরকে সংগঠনের সদস্য করা হয়েছে শুধুমাত্র সংগঠনের কলেবর বৃদ্ধির জন্য।  যাদের নিউজ পাঠান অপর সাংবাদিক। 

এরকম একজনে নিউজ পাঠান দশ জনের পত্রিকায়। এদের দাড়ি, কমা, সেমিক্লোনসহ হবহু একই নিউজ হলেও চলছে সাংবাদিকতা। প্রতিবন্ধকতা নেই কোনও। এদের প্রেস লেখা মোটর গাড়ীর দাপটে স্থানীয় প্রশাসনও অনেকটা তটস্থ। 

এসব সাংবাদিকদের সিংহভাগের নেই সাংবাদিকতা বিষয়ে কোন পড়াশুনা কিংবা মৌলিক প্রশিক্ষন। অনেকের মাধ্যমিকের গন্ডি অতিক্রমের সুযোগ হয়নি। এরা টাকার বিনিময়ে কার্ড হাসিল করে মানুষকে জিম্মি করে উসুল করে নিচ্ছে সেই টাকা। এদের কেউ কেউ জড়িয়ে পড়ছে চাঁদাবাজি, মাদক বানিজ্য, শালিশ বানিজ্য, পুলিশের দালালিসহ আবাসিক হোটেলে পতিতা সরবরাহের মত জঘন্য কর্মকান্ডের সাথে।

পুলিশ প্রশাসনও এসব চাঁদাবাজ, ভুয়া সাংবাদিকদের কিছু বলছেনা সাংবাদিক সংগঠনের আন্দোলন, মানববন্ধনের ভয়ে। তাই নিরুপায় হয়ে প্রতিকারের আশায় ’মহিপুর, কুয়াকাটার সাংবাদিক গন চাঁদাবাজ বকলম, উৎখাত করুন’ শুধু ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দিয়ে চলছেন এস আলম হাওলাদার’র মত সচেতন নাগরিকরা।

এতে পেশাদার সাংবাদিকরা বিব্রত হলেও এসকল ভুয়া সাংবাদিকদের তালিকা তৈরীর কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।

তালিকা তৈরীর কাজ সম্পন্ন হলেই এ্যাকশনে যাবে প্রশাসন (তথ্য নির্ভরযোগ্য সূত্রের)।

কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সম্পাদক কাজী সাইদ বলেন, ’চাঁদাবাজ ও ভুয়া সাংবাদিকদের কর্মকান্ডে আমরা এখন বিব্রত। এসকল সাংবাদিকরা কুয়াকাটায় মাদক বানিজ্য, চাঁদাবাজি, পতিতা দিয়ে পর্যটকদের ব্লাক মেইলসহ আবাসিক হোটেলে পতিতা সরবরাহ করছে।’

কাজী সাইদ আরও বলেন, ’বুধবার কুয়াকাটায় অনুষ্ঠিত আইন শৃংখলা সভায় বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপারকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তালিকা তৈরীর কথা বলা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। পাশাপাশি আমাদেরকেও তালিকা দিতে বলা হয়েছে। সভাপতি বিপ্লব ভাই তালিকা তৈরী করছেন।’

আন্দোলন৭১/গোফরান/জিকে

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2018 Andolon71
Theme Developed BY Rokonuddin