বুধবার,৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ অপরাহ্ন

৩১২ শিক্ষার্থী ছাড়া পাচ্ছেন শনিবার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ১৫ ৫৩

নিজস্ব প্রতিবেদক-

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, চীনের উহান থেকে ফেরত আসা ৩১২ জন বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি তাদের ১৪ দিনের সময় শেষ হবে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, এখানে আর কোনও সমস্যা নেই, কেউ করোনাতে আক্রান্ত নন। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত নতুন করোনা বা কভিড-১৯ আক্রান্ত কোনও রোগী শনাক্ত হননি।

গত ৩১ ডিসেম্বর চীনে প্রথম নতুন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। পরে বিভিন্ন দেশে ভাইরাস ছড়াতে থাকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক সময় এ বিষয়ে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা জারি করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ বিমানে করে দেশে ফেরেন ৩১২ জন বাংলাদেশি। আট জনের শরীরে জ্বর থাকায় তাদের ঢাকার দুটি হাসপাতালে রেখে বাকিদের আশকোনা হজক্যাম্পে ১৪ দিনের পর্যবেক্ষণে পাঠানো হয়।

এদের মধ্যে ৩০১ জন এখন আশকোনা হজক্যাম্পে আছেন, বাকি ১১ জন আছেন ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে। তাদের নিয়ে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, তাদের কারও মধ্যেই করোনাভাইরাসের কোনও উপসর্গ দেখা যায়নি।

এদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রতিকারের জন্য সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে। দেশের সব জেলা হাসপাতালসহ ঢাকায় তিনটি হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা আছে। কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালকে পুরোপুরি তৈরি করা হয়েছে যেখানে রয়েছে ২০ বেডের আইসিইউ। প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে চিকিৎসক-নার্সদের।

সাতক্ষীরার স্থলবন্দর হয়ে দেশে ফেরার পর একজনের শরীরে জ্বর পাওয়া যায়। সেখানে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, তাকে ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলা হবে। এ খবর শোনার পর তার মা হার্টঅ্যাটাক করে মারা যান, যা কিনা গণমাধ্যমে এসেছে।

এ ধরনের গুজবরোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোনও পদক্ষেপ নেবে কিনা জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় নানা অসুখ নিয়ে রোগী ভর্তি হয়। কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা উচিত না, যেন আতঙ্ক না ছড়ায়।’

চীনে থাকা অনেক শিক্ষার্থী দেশে ফিরতে চাইলেও তারা দেশে ফিরতে পারছেন না- এ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে আমি করোনার চিকিৎসা এবং ব্যবস্থাপনার দিকে জোর দিয়ে থাকি। কাকে আনা হবে, সে বিষয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং উচ্চ পর্যায়ে যারা সিদ্ধান্ত নেন তারা বুঝবেন। আমি কিছু বলতে পারবো না।’

‘যে কোনও নাগরিক, দেশের বাইরে যারা আছেন, এটা তাদের অধিকার। কেউ যদি আসেন, তাদের কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হবে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই ছাড়বো’, যোগ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2018 Andolon71
Theme Developed BY Rokonuddin