রবিবার,১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ অপরাহ্ন

শীতে ভাপা পিঠা, কারো উপভোগে কারো সংসার চলে

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১১ নভেম্বার, ২০১৯ ১৮ ১৫

আজিজুর রহমান-

চলছে কার্তিক মাস। হালকা উত্তরা বাতাস। সকাল-সন্ধ্যায় হালকা কুয়াশা। যেন শীতের আগমনী বার্তা। হালকা শীতের সকালে যদি ভাপা পিঠা হয় তাহলে তো আর কোন কথায় নেই।

প্রকৃতিতে শীত চলে এসেছে। শীতকাল মানে পিঠা খাওয়ার উৎসব। শীত এলে শহর, নগর ও গ্রামে পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে। শীতের পিঠা গ্রামীণ ঐতিহ্য। শীত মৌসুমে গ্রামীণ বধূরা রকমারী পিঠা তৈরি করেন। শীতের পিঠার মধ্যে ভাপা পিঠা একটি অন্যতম পিঠা। ভাপা পিঠা আবার হরেক রকম পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়। কখনো মিষ্টি ভাপা, কখনো ঝাল ভাপা। খেজুর রস দিয়ে ভাপা পিঠা খেতে বড়ই সুস্বাদু ও মুগ্ধকর।

শীত এলেই শহর ও গ্রামীণ হাটবাজারে নানা রকম পিঠা বিক্রি করা হয়। বিশেষ করে ভাপা পিঠা, তেলের পিঠা ও চিতল পিঠা। এসব পিঠার সমাদর সবখানেই সমানভাবে রয়েছে। শীত বাড়ার সাথে সাথে শহর ও গ্রামীণ হাট-বাজারে ফুটপাতে শীতের পিঠার ব্যবসা জমে উঠেছে।

দিনাজপুরের গ্রাম-শহরে শীতে পিঠা ব্যবসায়ীদের পিঠা বিক্রির হিড়িক পরেছে। ভোর থেকে সকাল এবং বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শহর-গ্রামীণ বাজার ও বিভিন্ন জায়গায় চলছে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম। শহরের অলিগলিতে রাস্তার আশপাশে পিঠাপুলির ভ্রাম্যমান দোকানও বসে।এসব দোকানে কিশোর থেকে শুরু করে বয়ষ্ক লোকেরা পিঠা তৈরি করে ক্রেতার কাছে বিক্রি করে।

এ পিঠা বিক্রি করে সংসার চালায় তারা। তবে সন্ধ্যার পর থেকে ক্রেতার সমাগত বৃদ্ধি পায়। সবাই একসাথে মজা করে শীতের ভাপা পিঠার স্বাদ উপভোগ করে।সকল বয়সের একসাথে পিঠা খাওয়া দেখে মনে হতে পারে কোন উৎসব চলছে।

দিনাজপুরের দশমাইল নামক স্থানে ভ্রাম্যমাণ পিঠা বিক্রেতা বলেন, প্রতি শীত মওসুমে পিঠা বিক্রি করি। এসময় তার প্রতিদিন প্রায় ৩-৪ হাজার টাকা বিক্রি হয়। শীতের শুরুতে একটু ক্রেতা কম হলেও শীত যত বাড়বে ততই ক্রেতাও বাড়বে বলে জানান তিনি।

ভাপা পিঠা খেতে এসে সোহেল নামের একজন বলেন, আমি সন্ধ্যায় বাসায় যাওয়ার সময় প্রায় এসব দোকান থেকে ভাপা পিঠা খাই। পরিবারের জন্যও নিয়ে যাই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার মা বেঁচে থাকতে তিনি শীতের সকালে ভাপা পিঠা তৈরি করতেন আর আমরা পরিবারের সবাই একসঙ্গে খেতাম। কিন্তু বর্তমান সময়ে বাসায় আর তৈরি হয়না।

হাবিপ্রবি শিক্ষার্থী আরজু চৌধুরী বলেন, ইতিমধ্যেই বাসায় ভাপা পিঠার আয়োজন করা হয়ে গেছে। সাধারণত সকালে নাস্তা বা বাসায় বড় বোন আসলেই শীতের সকালে ভাপা পিঠার আয়োজন করবেই আমার মা। তবে বাজারেও বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে খাওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2018 Andolon71
Theme Developed BY Rokonuddin