রবিবার,১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ অপরাহ্ন

সাপাহারে ৬০বিঘা জমির ৮ হাজার আম গাছ কর্তন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৩ নভেম্বার, ২০১৯ ১৭ ৩৫

নওগাঁ প্রতিনিধি-

নওগাঁর সাপাহারে গাছের সাথে শত্রুতা করে ১২জন আমচাষীর প্রায় ৬০বিঘা জমির উপর রোপিত প্রায় ৮হাজার আম গাছ কেটে ফেলেছে দূবৃত্তরা। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করেছে বলে বাগান মালিকরা দাবি করছেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তের দল উপজেলার জামালপুর গ্রামের পশ্চিম-দক্ষিন পার্শ্বে বিশাল মাঠে রোপিত একাধিক ব্যক্তির ৬০বিঘা জমির রোপিত প্রায় ৮হাজার আমগাছ কেটে ফেলে। সকালে বাগানের মালিকগণ বাগান এলাকায় গিয়ে গাছকাটার দৃশ্য দেখে অবাক হয়ে যান। এর পর সংবাদ জানা জানি হলে এলাকার শত শত উৎসুক জনতা এক নজর দেখার জন্য ওই বাগান এলাকায় ভিড় জমায়। কে বা কারা এসব গাছ কেটে ফেলেছে এবিষয়ে বাগান মালিকদের সাথে কথা হলে তারা জানান সামনের সিজনে প্রায় সব গাছগুলোতে আম আসত। 

আরও জানান, আমের সিজনের পূর্ব মহুর্তে কে বা কারা এবং কেন তাদের বাগানের গাছগুলি কেটে ফেলেছে তার কোন কারণ কেউ জানে না। তবে কোন বাগান মালিকের সাথে কারো শত্রুতা থাকতে পারে, দুর্বৃত্তরা চতুর হওয়ায় তাদের যেন কেউ সনাক্ত করতে না পারে তাই হয়ত তারা তার শত্রু পক্ষের ক্ষতি করতে গিয়ে নিজেদের বাঁচানোর তাগিতে কৌশল হিসেবে অন্যেরও গাছ কেটে ফেলেছে এমনটাই মনে করছেন তারা। 

উপজেলার আমচাষীরা ধারণা করছেন কেটেফেলা আমগাছগুলি হতে আগামী আমের মৌসুমে প্রায় ১কোটি টাকার আম কেনা-বেচা হত। হঠাৎ করে বিরাট ধরণের ক্ষতি সাধন হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ বাগান মালিকগণ চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। 

রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এবিষয়ে থানায় কোন মামলা দায়ের না হলেও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজান হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কল্যান চৌধুরী ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হাই ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন। রাতের আাঁধারে বাগান হতে অসংখ্য আমগাছ কর্তন করায় উপজেলার আমচাষীরা  শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। উপজেলার হাজার হাজার আমচাষীরা গাছের সাথে শত্রুতাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্ত মুলক শস্তির দাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

আন্দোলন৭১/ইউসুফ/এএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2018 Andolon71
Theme Developed BY Rokonuddin